সেবা সম্পর্কে তথ্য
নাটোর রাজবাড়ি ১৭০৬-১৭১০ সালের দিকে নাটোর রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা রাজা রামজীবন চৌধুরী নির্মাণ করেন। রাজা রামকান্তের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী রাণী ভবানী (১৭১৬-১৮০৩) জমিদারি পরিচালনা করেন এবং প্রাসাদের ব্যাপক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ করেন।
রাণী ভবানী ছিলেন বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ দানশীলা ও প্রজাহিতৈষী জমিদার। তাঁর আমলে নাটোর জমিদারি বিশাল আকার ধারণ করে।
প্রধান আকর্ষণ:
- প্রায় ৫০ একর জমির উপর নির্মিত বিশাল প্রাসাদ কমপ্লেক্স
- বড় তরফ ও ছোট তরফ
- একাধিক ঐতিহাসিক ভবন, পুকুর ও সুন্দর বাগান
- শ্যাম সুন্দর মন্দির
- রাণী ভবানী কেন্দ্রীয় পার্ক
বর্তমান অবস্থা: ১৯৮৬ সালে সরকার এটিকে রাণী ভবানী কেন্দ্রীয় পার্ক হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে এটি স্থানীয়দের পিকনিক স্পট ও পর্যটকদের জনপ্রিয় গন্তব্য।
কিভাবে যাবেন
- নাটোর শহর থেকে: রিকশা/অটো/সিএনজিতে মাত্র ৫-১০ মিনিট।
- ঢাকা থেকে: বাস বা ট্রেনে নাটোর এসে স্থানীয় যানবাহন।
- সেরা সময়: সকাল ৯টা - বিকেল ৬টা।
দর্শনের নিয়ম: সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। পার্ক এলাকায় ঘুরে বেড়ানো ও ছবি তোলা যায়।
যোগাযোগের মাধ্যম
সম্পর্কিত আরও তথ্য
উত্তরা গণভবন নাটোর (দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি) - নাটোরের ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ
দিঘাপতিয়া, নাটোর সদর, নাটোর, নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক
হালতির বিল - নাটোরের মিনি কক্সবাজার
পাটুল, নলডাঙ্গা, নাটোর, নাটোর সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উত্তরে।
গ্রীন ভ্যালী পার্ক (Green Valley Park) - লালপুর, নাটোর
গ্রীন ভ্যালী পার্ক, লালপুর সদর, নাটোর, লালপুর সদর থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে।
মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স গুরুদাসপুর, নাটোর
গুরুদাসপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন
চলনবিলের "স্বর্ণদ্বীপ" বিলশা কফি হাউস
বিলসা গ্রাম, খুবজিপুর ইউনিয়ন, গুরুদাসপুর উপজেলা, নাটোর জেলা।
শ্রীরামপুর তরমুজ পাম্প, শ্রীরামপুর, বড়াইগ্রাম, নাটোর
শ্রীরামপুর, তরমুজ তেল পাম্প সংলগ্ন, বড়াইগ্রাম, নাটোর, ঢাকা-নাটোর মহাসড়কের
চলনবিল জাদুঘর, গুরুদাসপুর, নাটোর
চাঁচকৈড় টু বিলশা রোড, খুবজীপুর, গুরুদাসপুর, নাটোর।
গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম
খামারনাচকৈড়, বিসিএসএস, কলেজ রোড, গুরুদাসপুর, নাটোর।