সেবা সম্পর্কে তথ্য
নাটোর জেলায় অবস্থিত উত্তরা গণভবন (যা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের অন্যতম দর্শনীয় এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা। ইন্দো-সারাসেনিক স্থাপত্যশৈলীর এই অনন্য নিদর্শনটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
📜 সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
নির্মাণ: ১৭৩৪ সালে দিঘাপতিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা রাজা দয়ারাম রায় এটি নির্মাণ করেন। তিনি ছিলেন নাটোরের রানী ভবানীর অত্যন্ত বিশ্বস্ত নায়েব।
পুনর্নির্মাণ: ১৮৯৭ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাসাদটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাজা প্রমোদনাথ রায়ের আমলে এটি বর্তমান রূপে সম্পূর্ণ পুনর্নির্মিত হয়।
নামকরণ: ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নাম পরিবর্তন করে 'উত্তরা গণভবন' রাখেন।
✨ প্রধান আকর্ষণসমূহ
প্রায় ৪৩ একর জমির ওপর বিস্তৃত এই প্রাসাদটি উঁচু প্রাচীর ও পরিখা দ্বারা বেষ্টিত। এর ভেতরে যা যা দেখবেন:
রাজকীয় প্রবেশদ্বার: ইতালি থেকে আনা বিশাল ক্লক টাওয়ারসহ প্রধান ফটক যা আজও নিখুঁত সময় দেয়।
ভাস্কর্য ও বাগান: সুনিপুণ ফুলের বাগান, দেশি-বিদেশি দুর্লভ গাছপালা এবং মার্বেল পাথরের তৈরি অপরূপ নারীমূর্তি।
প্রাকৃতিক দৃশ্য: স্নিগ্ধ ফোয়ারা, বিশাল পুকুর এবং চারপাশের মনোরম সবুজ পরিবেশ।
সংগ্রহশালা: ঐতিহাসিক জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে রাজকীয় আসবাবপত্র, পুরনো ক্যানন (কামান) ও ঐতিহাসিক স্মারক।
🏛️ বর্তমান ব্যবহার
বর্তমানে এটি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাঞ্চলীয় সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রাষ্ট্রীয় অতি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এখানে পরিচালিত হয়।
📍 ভ্রমণ সহায়িকা (কিভাবে যাবেন)
নাটোর শহর থেকে: শহর থেকে রিকশা, সিএনজি বা ইজি-বাইকে করে মাত্র ১০-১৫ মিনিটেই পৌঁছানো যায়।
ঢাকা থেকে: বাস বা ট্রেনে নাটোর স্টেশনে নেমে স্থানীয় যানবাহনে যাওয়া সহজ।
🕒 দর্শনের সময় ও নিয়মাবলী
সেরা সময়: সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা।
প্রবেশাধিকার: এটি একটি উচ্চ নিরাপত্তা সম্বলিত এলাকা। বর্তমানে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এটি সীমিত পরিসরে উন্মুক্ত। প্রবেশের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অগ্রিম অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
যোগাযোগের মাধ্যম
বর্তমান ঠিকানা
দিঘাপতিয়া, নাটোর সদর, নাটোর, নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক
সম্পর্কিত আরও তথ্য
হালতির বিল - নাটোরের মিনি কক্সবাজার
পাটুল, নলডাঙ্গা, নাটোর, নাটোর সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উত্তরে।
গ্রীন ভ্যালী পার্ক (Green Valley Park) - লালপুর, নাটোর
গ্রীন ভ্যালী পার্ক, লালপুর সদর, নাটোর, লালপুর সদর থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে।
চলনবিলের "স্বর্ণদ্বীপ" বিলশা কফি হাউস
বিলসা গ্রাম, খুবজিপুর ইউনিয়ন, গুরুদাসপুর উপজেলা, নাটোর জেলা।
চলনবিল জাদুঘর, গুরুদাসপুর, নাটোর
চাঁচকৈড় টু বিলশা রোড, খুবজীপুর, গুরুদাসপুর, নাটোর।
মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স গুরুদাসপুর, নাটোর
গুরুদাসপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন
নাটোর রাজবাড়ি (রাণী ভবানী রাজবাড়ি)
নাটোর সদর উপজেলা, নাটোর জেলা, রাজশাহী বিভাগ।
শ্রীরামপুর তরমুজ পাম্প, শ্রীরামপুর, বড়াইগ্রাম, নাটোর
শ্রীরামপুর, তরমুজ তেল পাম্প সংলগ্ন, বড়াইগ্রাম, নাটোর, ঢাকা-নাটোর মহাসড়কের
গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম
খামারনাচকৈড়, বিসিএসএস, কলেজ রোড, গুরুদাসপুর, নাটোর।